পড়ুন

Showing posts with label পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট. Show all posts

Thursday, December 17, 2015

আই টি ভেট


ঢাকা আহছানিয়া মিশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ  কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনক্রমে এখানে ইনষ্টিটিউট অব টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল এডুকেশন এন্ড ট্রেনিং (আইটিভেট)-এর যাত্রা শুরু হয়।

ঠিকানা ও অবস্থান
২০ তেজতুরী বাজার রোড (কারওয়ান বাজার), তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫ এই ঠিকানায় প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। ফোন: ৯১২০২৪৮, ৯১৩০৬১৩, ৯১১৫৪৬১, এক্সটেনশন: ৫০১, ৭০২, ৪০১, ১০৮, ১০৩।

ভর্তির যোগ্যতা
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির জন্য অবশ্যই বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

প্রত্যেক কোর্সের আসন সংখ্যা
কারিগরি বোর্ডের অধীনে এখানে সাতটি কোর্স চালু রয়েছে। ডিপ্লোমা-ইন-আর্কিটেকচার টেকনোলজি {সকাল – ৪০ জন,বিকাল – ৪০ জন (ব্যাচ)}, ডিপ্লোমা-ইন-সিভিল টেকনোলজি {সকাল – ৪০ জন, বিকাল – ৮০ জন (ব্যাচ)}, ডিপ্লোমা-ইন-কম্পিউটার টেকনোলজি {সকাল – ৪০ জন, বিকাল – ৮০ জন (ব্যাচ)}, ডিপ্লোমা-ইন-ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি {বিকাল – ৮০ জন (ব্যাচ)}, ডিপ্লোমা-ইন-কেমিক্যাল টেকনোলজি {বিকাল – ৪০ জন (ব্যাচ)}, ডিপ্লোমা-ইন-টেলি কমিউনিকেশন টেকনোলজি {সকাল – ৪০ জন, বিকাল – ৮০ জন (ব্যাচ)}, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং {বিকাল – ৮০ জন (ব্যাচ)}।

ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ভর্তির সময় এস. এস. সি-র মূল মার্কসিট, প্রশংসাপত্র, ৩৮ মি: মি:× ৩৮ মি: মি: ৪ কপি সত্যায়িত ছবি শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সাথে আনতে হবে।

কোর্সের মেয়াদ
উল্লেখিত যে কোন বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্সের মেয়াদ ৪ বছর। বছরে ২টি সেমিষ্টার। সর্বমোট ৮ সেমিষ্টার।

ভর্তি ফি ও অন্যান্য
ভর্তির সময় অন্যান্য ফিসহ প্রথম সেমিষ্টারের বেতন ১৪,৪২০ টাকা। বাকি ৭ সেমিষ্টারের জন্য প্রতি সেমিষ্টার ফি১৩,০০৫ টাকা। এছাড়া বোর্ড পরীক্ষার সময় প্রতি সেমিষ্টারের পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদেয়।

সময়সূচী
আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিদিন সকাল ৮.০০ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এবং সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার।

বৃত্তি সুবিধা ও সনদ প্রাপ্তি
বৃত্তি সুবিধা রয়েছে। প্রথম সারির শিক্ষার্থীরা মেধানুসারে প্রতি সেমিষ্টারে বৃত্তি পেয়ে থাকে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের যে কোন কোর্স সমাপ্তির পর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (আইটিভেট) থেকে পৃথক সনদপত্র প্রদান করা হয় আনুষ্ঠানিকতার সহিত।  

ইন্টার্নির ব্যবস্থা
কোর্স শেষে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্বনামধন্য ও সরকারি-বেসরকারি স্বায়ত্বশাসিত কলকারখানা, মিল, ফ্যাক্টরি অফিস ও উক্ত বিষয়ের উপর বিস্তর জ্ঞান লাভের জন্য শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়ে থাকে। ২-৩ মাসের ইন্টার্নি করার সময় শিক্ষার্থীরা কিছু ভাতা পেয়ে থাকে।  

বিবিধ 
প্রত্যেক ক্লাশরুম ও ল্যাবরেটরী রুম শীততাপ নিয়ন্ত্রীত।লোডশেডিং এর সময় নিজস্ব জেনারেটরের মাধ্যমে বিদুৎ সরবরাহ শীততাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা সচল রাখা হয়।
প্রত্যেক তলাতে পর্যাপ্ত অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে এবং অগ্নি কান্ডের সময় ভবন থেকে দ্রুত বিকল্প পথে বের হওয়ার জন্য Fire Exit এর ব্যবস্থা রয়েছে।

তথ্য সুত্র: অনলাইনঢাকা.কম

পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট


তাত্ত্বিক বিদ্যার পাশাপাশি ব্যবহারিক বিদ্যা জাতি গঠনে ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রেখে থাকে। দেশের শিক্ষা বাণিজ্যের প্রসারে দক্ষ জনশক্তি অত্যাবশ্যক।
সেই লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৫০টি সরকারী পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট দুই শিফটে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালিত হয়ে আসছে।

কর্তৃপক্ষের ঠিকানা
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর
এফ-৪/বি, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা, শেরে-বাংলা-নগর, ঢাকা – ১২০৭।
ওয়েব সাইট; www.techedu.gov.bd

ভর্তির যোগ্যতা
১. এস.এস.সি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ফলাফল ন্যূনতম জিপিএ - ৩.৫০।
২. বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীকে সাধারণ গণিত/উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জিপিএ – ৩.০০ থাকতে হবে।
৩. বিজ্ঞান ছাড়া অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাধারণ গণিতে বা সাধারণ বিজ্ঞানে কমপক্ষে জিপিএ – ৩.০০ থাকতে হবে।
৪. এস.এস.সি/সমমানের পরীক্ষায় চলমান সন এবং পূর্ববর্তী দুই সনের মধ্যে উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবেন।

ভর্তির আবেদন ফরম পূরণের পদ্ধতি ও নিয়মাবলী
ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.techedu.gov.bd –এ লগ ইন করে ওয়েবসাইটে প্রদত্ত আবেদন ফরম (Application form) যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে।
(ভর্তির ফরম পূরণের বিস্তারিত নিয়মাবলী ওয়েবসাইট হতে প্রিন্ট-আউট নেয়া যাবে)।
২. আবেদন ফরম পূরণের ধাপ:
  • Home Page হতে On-line Admission বাটনে ক্লিক করে Apply on-line অপশনে যেয়ে New Application বাটনে ক্লিক করে Application form Open করতে হবে।
  • স্কীনে প্রদর্শিত Application form –এ চাহিদা মোতাবেক তথ্যাদি লিপিবদ্ধ/নির্বাচন (entry/selection) করতে হবে।
  • Application from পূরণ শেষে Submit বাটনে ক্লিক করে ফিরতি message –এর প্রিন্ট-আউট নিতে হবে। উক্ত প্রিন্ট-আউট-এ প্রদত্ত Track Number ভর্তি পরীক্ষার রোল নং হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • কোন কারণে Track Number সহ ফিরতি message প্রিন্ট-আউট ব্যর্থ হলে পুনরায় একইভাবে Application Form পূরণের চেষ্টা করতে হবে।  
  • ফিরতি message অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হবে।

৩. ফি জমা দেয়ার পদ্ধতি
টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে DTE লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে এস.এস.সি (SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে,
স্পেস দিয়ে এসএসসি পাসের সন লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস (SMS) করতে হবে।
উদাহরণ: DTE < Space < XXX < Space > YYYYYY < Space > ZZZZ
এখানে XXX  এর স্থলে আবেদনকারী যে বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, সে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে। যেমন, ঢাকা বোর্ডের বেলায় (DHA), সিলেট (SYL), বরিশাল (BAR), চট্টগ্রাম (CHI), কুমিল্লা (COM), দিনাজপুর (DIN), যশোর (JES), রাজশাহী (RAJ), মাদ্রাসা (MAD), কারিগরি (BTE) লিখতে হবে। YYYYYY এর স্থলে আবেদনকারীর এসএসসি পাসের রোল নম্বর ও ZZZZ এর স্থলে এসএসসি পাসের সন লিখতে হবে।
  • SMS – প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN নম্বর, প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ২০০/- টাকা কেটে রাখার সম্মতি চেয়ে ফিরতি SMS দেয়া হবে। প্রার্থীকে তার নাম, পিতার নাম ইত্যাদি অত্যন্ত মনোযোগের সাথে দেখে নিয়ে তথ্যাদি সঠিক থাকলে সম্মতি দিতে হবে। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্তভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে। উদাহরণ: DTE < Space > Yes > PIN
PIN নম্বরটি সঠিকভাবে লিখা হলে উক্ত টেলিটকের Prepaid মোবাইল থেকে ভর্তি পরীক্ষার ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা একটি Money receipt নম্বরসহ ফিরতি SMS  দেয়া হবে। উল্লেখ্য যে, money receipt নম্বর ও PIN নম্বরটি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে।

৪. একজন প্রার্থী তাঁর পছন্দের প্রতিষ্ঠানসমূহে বিদ্যমান যেসব টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তা তাকে প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি ভিত্তিক পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে হবে। উদাহরণ: ঢাকা-সিভিল, ঢাকা-ইলেকট্রিক্যাল, কুমিল্লা-সিভিল, কুমিল্লা-ইলেকট্রিক্যাল এভাবে সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি অপশন নির্বাচন করা যাবে।

৫. আবেদনপত্র Submit করার পরে একজন প্রার্থী আবেদন পত্র পূরণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কেবলমাত্র একবার এটি সংশোধনের সুযোগ পাবে।

৬. মেধা, কোটা ও আবেদনপত্রে প্রদত্ত পছন্দের ক্রমানুসারে ইনস্টিটিউট-টেকনোলজি ভিত্তিক ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হবে।

৭. প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য MCQ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা নেয়া হবে। লিখিত পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বন্টন:
বিষয়
নম্বর
বাংলা
0৭
ইংরেজী
0৭
গণিত
১৫
বিজ্ঞান
১৫
সাধারন জ্ঞান
0৬
মোট =
৫০

৮. লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার মূল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড (ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হবে না) সঙ্গে আনতে হবে। এসএসসি’র মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ছাড়া কোন প্রার্থী পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবে না।

৯. মেধা তালিকা প্রণয়নের ভিত্তি:
(ক) এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ কে ১০ দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত নম্বর এবং লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
(খ) সমান নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের বাছাইয়ের ক্ষেত্র পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত অথবা উচ্চতর গণিত/জীব বিজ্ঞান, ইংরেজী, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
(গ) দফা (খ) অনুসারে সমস্যার সমাধান না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক মেধাক্রমের ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হবে।

১০. ভর্তির বিশেষ নীতিমালা:
  • ভর্তির জন্য মেধা ও কোটা ভিত্তিক মোট আসন সংখ্যার সমসংখ্যক একটি মূল তালিকা এবং একটি অপেক্ষমান তালিকা করা হবে।
  • মূল তালিকা থেকে ভর্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আসন সংখ্যা পূরণ না হলে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের তাদের মেধা ও পছন্দের ক্রমানুসারে অটো মাইগ্রেশন (প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি) শেষে শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে সময়সূচি অনুযায়ী কোটা ও মেধার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
  • কোটা সংরক্ষণ: মহিলা ১০%, এসএসসি (ভোক) -১৫%, উপজাতি আবেদনকারীদের – ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪টি করে ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২টি করে এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/পোষ্যদের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২টি করে আসনে মেধা ও আবেদন ফরম বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে। এসএসসি সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাস (আবেদন ফরম জমা দেয়ার শেষ তারিখে বয়স অনুর্ধ্ব ২২ বছর) প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে ট্রেড কোর্সে প্রাপ্ত নম্বরের শতকরা ২৫ ভাগ ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের শতকরা ২৫ ভাগ উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরকে ৫০ এর মধ্যে রূপান্তর করে মেধা নির্ধারণ করা হবে এবং তাদেরকে ট্রেড সংশ্লিষ্ট টেকোনোলজিতে ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হবে।
  • উপজাতি আবেদনকারীদের উপজাতীয়তা প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর/পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত,
  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের/পোষ্যদের কোটার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী/মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সচিব স্বাক্ষরিত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি এবং সংশ্লিষ্ট ফটোকপি এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর/পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধার সাথে আবেদনকারীর সম্পর্ক সংক্রান্ত সনদপত্র
  • এসএসসি সহ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা (বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ০২ (দুই) বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স ধারীদের সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপিসহ আবেদনকারীর Track Number উল্লেখ করে একটি আবেদনপত্র নির্ধাইত সময়সীমার মধ্যে ডাকযোগে/সরাসরি অফিস চলাকালিন সময়ে অত্র অধিদপ্তরে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তাঁর কোটা বিবেচিত হবে না। (সংরক্ষিত আসন কোটাভিত্তিক পূরণের পর কোন আসন শূন্য থাকলে তা সাধারণ মেধা তালিকা হতে পূরণ করা হবে)
  • ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে কেউ ক্লাস শুরুর ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর ভর্তি বাতিলকরত: উক্ত শূন্য আসনে পরবর্তী ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে পূরণ করা হবে।

  • ড্রপ আউট বিবেচনা করে প্রত্যেক টেকনোলজির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার সর্বাধিক ২০% অতিরিক্ত ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা হবে।
  • নীতিমালার চূড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে।

ইনষ্টিটিউটগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ-
সাধারণত প্রতি টেকনোলজিতে আসন সংখ্যা – ৪০, কম/বেশি আসন সংখ্যার ক্ষেত্রে টেকনোলজির পার্শ্বে আসন সংখ্যা বর্ণিত।
&
ক্র. নং
ইনষ্টিটিউটের নাম
বিষয়
আসন সংখ্যা





১.





ঢাকা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
১৬০
কম্পিউটার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৮০
আর্কিটেকচার
৪০
মেকানিক্যাল
৮০
কেমিক্যাল
৪০
অটোমোবাইল
৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং
৪০
ফুড
৪০
এনভায়রনমেন্টাল
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০

২.

ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
আর্কিটেকচার
৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল
৪০
কম্পিউটার ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০

৩.

খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
কম্পিউটার
৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইনটেরিয়র ডিজাইন
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০

৪.

রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
কম্পিউটার
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল 
৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন
৪০

৫.

চট্টগ্রাম মহিলা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
কম্পিউটার
৪০
গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং
৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইনটেরিয়র ডিজাইন
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০



৬.



ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেক্ট্রিক্যাল
৮০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার ইলেকট্রোমেডিক্যাল
৪০


৭.


ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৪০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং
৪০


৮.


টাংগাইল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
কনস্ট্রাকশন
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
টেলিকমিউনিকেশন
৪০



৯.



চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৮০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
মেকানিক্যাল
৮০
কম্পিউটার
৪০
এনভায়রনমেন্টাল
৪০


১০.


কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০


১১.


ফেনী পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৪০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইনার
৪০


১২.


বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট, কাপ্তাই
সিভিল (উড)
২০
মেকানিক্যাল
২০
ইলেকট্রিক্যাল
২০
অটোমোবাইল
২০
কম্পিউটার
৪০
কনস্ট্রাকশন
৪০



১৩.



রাজশাহী পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৪০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
মেকাট্রনিক্স
৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল
৪০



১৪.



বগুড়া পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
কম্পিউটার
৪০
মাইনিং এন্ড মাইন সার্ভে
৪০
রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং
৪০



১৫.



পাবনা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
এনভায়রনমেন্টাল
৪০
কনস্ট্রাকশন
৪০


১৬.


রংপুর পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
ইলেকট্রোমেডিক্যাল
৪০


১৭.


দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৪০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
আর্কিটেকচার এন্ড ইনটেরিয়র ডিজাইন
৪০



১৮.



খুলনা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৮০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৮০
মেকানিক্যাল
৪০
কম্পিউটার
৪০
ইলেকট্রনিক্স
৪০
এনভায়রনমেন্টল
৪০
ইন্সট্রুমেন্টেশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল
৪০



১৯.



যশোর পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
সিভিল
৪০
পাওয়ার
৪০
ইলেকট্রিক্যাল
৪০


তথ্য সুত্র : অনলাইন ঢাকা.কম

বাংলাদেশ ইন: অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস


 
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস প্রতিষ্ঠিত হয়।

ঠিকানা ও অবস্থান
৯৫, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সড়ক, তেজগাঁও, ঢাকা – ১২০৮।
ওয়েব সাইট: www.bige-tech.edu.com
তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড় থেকে মহাখালী গামী সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের বিপরীতে উক্ত ইনষ্টিটিউটটির অবস্থান।

কোর্সসমূহ
উক্ত ইনষ্টিটিউটে ২টি বিষয়ের কোর্স চালু রয়েছে।
ক্র. নং
কোর্সের নাম
মেয়াদ
১.
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং
৪ বৎসর
২.
ভোকেশনাল কোর্স
২ বৎসর

ভর্তির যোগ্যতা
১। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য গণিতে বাধ্যতামূলক জিপিএ ৩.০০ সহ এস.এস.সি পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০০ এর অধিকারী হতে হবে।
২। ভোকেশনাল কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে।

আবেদন ও ভর্তি প্রক্রিয়া
উক্ত ইনষ্টিটিউটে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র অনলাইনে কিংবা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি অধিদপ্তর (আগারগাঁও) অথবা ইনষ্টিটিউটের প্রশাসনিক অফিস থেকে সংগ্রহ করা যায়। ভর্তি ফরমের মূল্য ২০০ টাকা। আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণপূর্বক প্রশাসনিক অফিসে জমা দিতে হয়। এরপর চূড়ান্ত ভর্তির পূর্বে এস.এস.সি লেভেলের পাঠ্যক্রম থেকে ১:৩০ ঘন্টার ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তির ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত মহিলা কোটা ১০%, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৬ জন ও উপজাতি কোটায় ২ জন যথাযথ ভাবে পূরণ করা হয়।

লাইব্রেরী ও ল্যাব
উক্ত ইনষ্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনের নীচ তলায় একটি লাইব্রেরী আছে। তাছাড়া দুইটি ল্যাব রয়েছে, যার একটি রসায়ন ল্যাব, অন্যটি ফিজিক্যাল টেষ্টিং ল্যাব।

ক্লাস রুমের ধরন
উক্ত ইনষ্টিটিউটের ক্লাশ রুমগুলো চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ সমৃদ্ধ। তবে শীতাতপের ব্যবস্থা নেই এবং মাল্টিমিডিয়ারও ব্যবস্থা নেই।

ইউনিফর্ম
উক্ত ইনষ্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের ড্রেস কোড রয়েছে। ছাত্রদের সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট, কালো জুতা ও কালো মুজা। ছাত্রীদের সাদা সেলোয়ার, কালো কামিজ, সাদা স্কার্ফ, সাদা জুতা ও সাদা মুজা।

শিফট
উক্ত ইনষ্টিটিউটের ক্লাস সমূহ দুটি শিফটে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শিফট সকাল ৮:০০ টা থেকে দুপুর ১:৩০ টা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় শিফটের ক্লাস ১:৩৫ টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭:৪০ টা পর্যন্ত চলে।

শিক্ষক সংখ্যা
উক্ত ইনষ্টিটিউটে পাঠ্যরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের জন্য মোট ১৯ জন শিক্ষক নিয়োজিত আছেন। তন্মধ্যে স্থায়ী শিক্ষকের সংখ্যা ১৪ জন এবং অস্থায়ী শিক্ষকের সংখ্যা ৫ জন।

অডিটোরিয়াম
উক্ত ইনষ্টিটিউটের নিজস্ব একটি অডিটোরিয়াম রয়েছে। যার ধারণ ক্ষমতা ১০০ জন। ইনষ্টিটিউটের অভ্যন্তরিক সকল অনুষ্ঠান উক্ত ইনষ্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য
উক্ত ইনষ্টিটিউটে এক্সট্রা কারিকুলাম স্বরূপ সকল শিক্ষার্থীকে কম্পিউটার কোর্স করানো হয়। তাছাড়া একটি স্কাউট ক্লাব রয়েছে।

তথ্য সুত্র : অনলাইন ঢাকা.কম

ডিপ্লোমা ইন জুট টেকনোলজি এন্ড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স


বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে বস্ত্র দপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ইন্সটিটিউটসমূহে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা-ইন-জুট টেকনোলজি কোর্স করানো হয়।

ইনস্টিটিউট ঠিকানা, কোর্স ও প্রতিবছরের ভর্তিযোগ্য আসন সংখ্যা
ক্রঃ নং
ইনস্টিটিউট-এর নাম ও ঠিকানা
কোর্সের নাম
আসন সংখ্যা
০১।টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, বাজিতপুর রোড, টাঙ্গাইল।ক) ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
খ) ডিপ্লোমা ইন জুট টেকনোলজি
৮০ টি
৮০ টি
০২।টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, পুলহাট, দিনাজপুর।ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
৮০ টি
                                                                                                            মোট=
২৪০ টি

ভর্তির সেশন
সাধারনত জুন মাসে ভর্তি পরীক্ষা হয়। তারিখ বস্ত্র দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী স্থির হয়।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা
ক) প্রার্থীকে অবশ্যই জন্মগতভাবে বা নাগরিকত্ব গ্রহণে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
খ) ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সনে দেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত এস,এস.সি/ এস.এস.সি (ভোকেঃ/দাখিল সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাধারণ গনিতে বা উচ্চতর গণিতে জিপিএ ৩.০০ সহ কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫০ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া
ক) শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবেদন গ্রহন করা হবে। ভর্তি কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা, পরীক্ষা অনুষ্ঠান, ফলাফল প্রণয়ন ইত্যাদি ব্যয় বাবদ সর্বমোট ৩০০.০০ (তিনশত) টাকা ফি কেটে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মোবাইলে পর্যাপ্ত টাকা থাকতে হবে।
খ) ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্য একটি টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে 16222 নম্বরে SMS করতে হবে।
গ) মোবাইল ফোনের message অপশনে গিয়ে DOT লিখে স্পেস দিয়ে, SSC শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে, বোর্ড রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে SSC পাশের সাল লিখে স্পেস দিয়ে, ভর্তির পছন্দ অনুযায়ী ইন্সটিটউটের নামের অদ্যাক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে, পছন্দের কোর্সের নামের শব্দ সংক্ষেপে লিখে স্পেস দিয়ে, পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে পছন্দের ইন্সটিটিউটের শব্দ সংক্ষেপ লিখে স্পেস দিয়ে, সংরক্ষিত কোটার শব্দ সংক্ষেপে লিখে 16222 নম্বরে SMS করতে হবে।
উদাহরণ- DOT DHA 123456 2011 DTE TC FF
উদাহরণটির শব্দ সংক্ষেপগুলো যথাক্রমে বস্ত্র দপ্তর DOT, যে বোর্ড হতে এসএসসি পাশ (ঢাকা বোর্ড) DHA, এসএসসি’র রোল নম্বর 123456, পাশের সন 2011, ভর্তির জন্য পছন্দের ইন্সটিটিউট (দিনাজপুর), যে কোর্সে ভর্তি ইচ্ছুক (ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনয়ারিং) TE, যে ইন্সটিটিউট কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক (টাঙ্গাইল কেন্দ্র) TC, এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান/পোষ্য কোটার জন্য FF লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস করতে হবে। 

মোবাইল ফোনের message অপশনে অন্যান্য যে সকল শব্দ সংক্ষেপ ব্যবহার করা হবে তা নিম্নরূপ-
সিলেট শিক্ষা বোর্ড SYL, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড BAR, চট্রগ্রাম শিক্ষা বোর্ড CHI, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড vvWvvCOM, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড DIN, যশোর শিক্ষা বোর্ড JES, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড MAD, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড RAJ, বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড TEC, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় BOU, ভর্তির জন্য পছন্দের ইন্সটিটিউট (টাঙ্গাইল) T, পছন্দের কোর্সের নাম (ডিপ্লোমা ইন জুট টেকনোলজি) JT, যে ইন্সটিটিউট কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক (দিনাজপুর কেন্দ্র) DC, মহিলা কোটা FM, টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট কোটা TV, এবং উপজাতি কোটা TR লিখতে হবে।  

ঘ) উপরের SMSটি পাঠানোর পর সকল তথ্য সঠিক হলে ফিরতি SMS এ আবেদনকারীর নাম, ভর্তির ফি ও একটি PIN জানিয়ে সম্মতি চাওয়া হবে। তখন 16222 নম্বরে আরেকটি SMS পাঠিয়ে সম্মতি জানাতে হবে। সম্মতি জানানোর জন্য প্রথমে DOT লিখে স্পেস দিয়ে PIN লিখে স্পেস দিয়ে আবেদনকারীর সাথে যোগাযোগের জন্য আবেদনকারীর নিজের ব্যবহৃত (যে কোন অপারেটর-এর) একটি মোবাইল নম্বর লিখে 16222 নম্বরে SMS করতে হবে।
প্রতিটি ফিরতি এসএমএস ভালভাবে পড়তে হবে।

সংরক্ষিত কোটায় ভর্তির তথ্য
প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি কোর্সের জন্য মহিলা ১০%, উপজাতি ২টি আসন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের/পোষ্যদের ৩টি আসন এবং বস্ত্র দপ্তর নিয়ন্ত্রিত টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট হতে এসএসসি (ভোকেঃ) পাশ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৩০% আসন সংরক্ষিত থাকবে এবং উক্ত আসনে মেধা অনুযায়ী আবেদন-এর পছন্দের ভিত্তিতে বন্টন করা হবে।

ভর্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি
ক) ভর্তি পরীক্ষার দিন প্রার্থীর এসএসসি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের মূলকপি (কোনক্রমেই ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হবে না) ও পূরণকৃত তথ্য ছক সাথে আনতে হবে। এগুলো ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
খ) ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আলাদাভাবে কোন প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে না।
গ) ভর্তির যোগ্য প্রার্থীগণকে ভর্তির সময় অবশ্যই এসএসসি পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট/নম্বরপত্র, সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদের মূলকপি ইন্সটিটিউটে জমা দিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/পোষ্য কোটার ক্ষেত্রে কেবলমাত্র মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত মূল সনদ গ্রহণযোগ্য। অন্যথায় ভর্তির যোগ্যতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
ঘ) পরবর্তী যোগাযোগের জন্য আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে।
ঙ) পরীক্ষার হলে কোন প্রকার ব্যাগ, মোবাইল ফোন, ও programmable Calculator আনা সম্পূর্নরূপে নিষিদ্ধ।
চ) লিখিত পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর বন্টন

ক্রঃ নং
বিষয়
নম্বর
০১
গণিত
১৫
০২
বাংলা
১৫
০৩
ইংরেজী
১৫
০৪
সাধারন জ্ঞান
০৫
                                 মোট=
৫০

ছ) ফলাফল কেন্দ্রীয়ভাবে বস্ত্র দপ্তর হতে প্রকাশ করা হবে।

ভর্তিতে প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি
এস.এস.সি/ এস.এস.সি (ভোকেঃ)/ এস.এস.সি দাখিল/ সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ফলাফল (জিপিএx১০) থেকে ৫০ নম্বর এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫০ নম্বর মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোটা অনুসরণপূর্বক মেধা তালিকা তৈরি করে মেধার ভিত্তিতে প্রথম পর্বে ভর্তি করা হবে। তবে সমান নম্বর পাওয়া পার্থীদের বাছাই-এর ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত, জীববিজ্ঞান, ইংরেজী, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ে বেশি পয়েন্ট হয় সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সভাপতি, আন্তঃবোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি (চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড) বরাবর নির্ধারিত ফরম্যাটে অন-লাইনে আবেদন করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক মেধাক্রম সংগ্রহ করে প্রার্থী বাছাই করা হবে।

বিশেষ সতর্কতাসমূহ
ক) একটি টেলিটক ফোনের মাধ্যমে একাধিক আবেদন করা যাবে। তবে আবেদনের ২য় ধাপে সম্মতি জানানোর সময় যোগাযোগের জন্য আবেদনকারীর নিজের ব্যবহৃত (যে কোন অপারেটরের) একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
খ) নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে দিনে বা রাতে যে কোন সময় এমনকি বন্ধের দিনও আবেদন করা  যাবে।
গ) একবার এসএম এম করে আবেদন করে ফেললে তা প্রত্যাহার করা হবে না।
ঘ) ভর্তি পরীক্ষার দিন অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট পর কাউকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
ঙ) এসএমএস পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার কোনরূপ সমস্যার সম্মুখীন হলে টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার (১২৩৪) নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
চ) ইন্সটিটিউটসমূহে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোনরূপ আবাসন ব্যবস্থা নেই।
ছ) ভর্তি সংক্রান্ত ব্যাপারে কোন সমস্যা দেখা দিলে বা কোন তথ্য জানতে ৯১১৪২০৯,  ৯১১৯৮৩৭, ০১৫৫৫৫৫৫১২৯ ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
জ) ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যাবলি জানার জন্য নিচের সাইটগুলো ভিজিট করা যেতে পারে।
ঝ) ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন ব্যাপারে ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

তথ্য সুত্র: অনলাইনঢাকা.কম