পড়ুন

Showing posts with label ওয়ার্ডপ্রেস. Show all posts

Saturday, December 26, 2015

জেনে নিন নতুন ব্লগের ভিসিটর বাড়ানোর সেরা ১০ টি উপায়!

লেখক : , প্রকাশকাল : 01 November, 2014

মোটামুটি ভাল পরিমাণ ট্র্যাফিক সবার সাইটের জন্যই দরকার আর আপনার ওয়েবসাইট যদি নতুন হয় তাহলে তো কথাই নেই। সাধারণত আমাদের সাইট বানানোর উদ্দেশ্য থাকে অ্যাডসেন্স বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য। আর কমবেশি আমাদের সবারই প্রধান চেষ্টা থাকে সার্চ ইঞ্জিন মানে গুগল থেকে ভিসিটর আনার। আর সেই লক্ষে আমাদের সাইট কে একটা কিওয়ার্ডে র‍্যাঙ্ক করার চেষ্টা করি এবং ওখান থেকে ভিসিটর পাওয়ার আশা করি। আজকের টিপস তাদের জন্য যারা তাদের নতুন ওয়েবসাইট ডেভেলপ করেছে আর তাদের ব্লগে কাঙ্ক্ষিত ভিসিটর পাচ্ছে না। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
ব্লগের ভিসিটর বাড়ানোর সেরা উপায়
১। কনটেন্ট ইজ কিং- কথাটি অনেক পরিচিত মনে হচ্ছে আপনাদের কাছে ঠিক না? হুম কথাটা পুরনো কিন্তু আমি আবারো আপনাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাচ্ছি। আপনি অ্যাফিলিয়েট করেন আর ব্লগ লিখেন আপনাকে সবসময় কোয়ালিটি আর্টিকেল পোস্ট দিতে হবে। আপনার লিখাটি এমন হবে যাতে করে ভিসিটর আপনার কাছ থেকে নতুন কিছু জানতে পারে। আর আর্টিকেল লিখার সময় কিওয়ার্ড ডেনসিটি এবং আর্টিকেলের ওয়ার্ড কাউন্টের বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। ধরুন আপনার লিখার বিষয় হবে “how to improve your mountain biking skills”  তো এই বিষয়টির উপর আপনি যখন লিখবেন চেষ্টা করবেন সর্বোচ্চ পরিমানে ইনফরমেশন ভিসিটরদের দিতে। আপনার দ্বারা যতদূর সম্ভব তবে আজাইরা প্যাঁচাল পারবেন না মানে আপনার আর্টিকেল টেনে টেনে বড় করবেন না। আর আর্টিকেল লিখার সময় কিওয়ার্ড ডেনসিটি টা মেইনটেইন করবেন যেমন, ধরুন আর্টিকেল লিখছেন ৭০০ ওয়ার্ডের সেখানে আপনার মেইন কিওয়ার্ড ব্যাবহার করবেন মিনিমাম ৩ বার হুবহু, আর ওর সাথে ফ্রেজাল কিওয়ার্ড ব্যাবহার করবেন ৩ থেকে ৫ বার। যেমন আপনার মেইন কিওয়ার্ড হচ্ছে how to improve your mountain biking skillsএখানে আপনি ফ্রেজাল হিসেবে tips to improve your mountain biking skills improve your mountain biking skills  এই গুলা ব্যাবহার করতে পারেন। (আমি জাস্ট উদাহরণ দিয়েছি)।
আপনি যদি সাইটে ভালো মানের কনটেন্ট দিতে পারেন তাহলে দেখবেন রাতারাতি আপনার ব্লগ ইনডেক্স হয়ে যাবে আর সেটি সার্চ ইঞ্জিনে লিস্টেড হয়ে যাবে এবং ব্লগে ভিসিটর আসতে থাকবে।
২। আপনার ব্লগটিকে সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করুন-  হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন আপনার ওয়েবসাইট বিভিন্নসার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করবেন। কারন অনেক সময় দেখাজায় গুগল কোন এক অজানা কারনে আপনার ব্লগটি ইনডেক্স করছে না তখন এটি করে রাখলে আপনার সাইট খুব তারাতারি ইনডেক্স হয়ে যাবে।
কিভাবে করবেন? ওকে যদি গুগল সাবমিট করতে চান তবে এখানে যান, আর বিং এ করতে চাইলেএখানে যাবেন। খুব সোজা ট্রাই করেন আপনিও পারবেন।
৩। সোশ্যাল শেয়ার- আপনার সাইটকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করবেন যেমন ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি। যখনি ব্লগে নতুন কোন পোস্ট আসবে সেটি আপনার ফ্যানপেজ শেয়ার দিবেন আর আপনার ফ্যানপেজকে বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার দিবেন। দেখবেন আপনার ব্লগে ভিসিটর বাড়বে।
social-media
৪। পোষ্টের টাইটেল ভালমতো অপটিমাইজ করবেন- মনে রাখবেন আপনার পোস্ট যখন কোন সার্চ ইঞ্জিনে আসবে বা ভিসিটরের সামনে যাবে তখন কিন্তু সে সবার আগে আপনার পোষ্টের টাইটেল খেয়াল করবে আর টাইটেল যদি আকর্ষণীয় না হয় তবে ভিসিটর আপনার পোস্ট পরতে আগ্রহ পাবে না আর আপনার ব্লগে ভিসিটর আসবে না।
৫। পোস্টে ইন্টারনাল লিংক করুন- আপনার ব্লগে যখন কোন নতুন পোস্ট দিবেন তখন সেখানে ইন্টারনাল লিঙ্কিং করতে ভুলবেন না এতেকরে আপনার ব্লগে ভিসিটর অনেকক্ষণ থাকবে। যেমন আপনার ব্লগটি “ওয়েটলস” রিলেটেড আর আপনি সেখানে পোস্ট দিচ্ছেন “ওজন কমানোর ১০টি উপায়” এখন আপনার ব্লগে যদি সেম টাইপের অন্য কোন পোস্ট থাকে তবে এটিকে তার সাথে লিংকআপ করে দেন। তখন আপনার ভিসিটর সেই পোস্টটি পড়বে আর এটি আপনার ব্লগের বাউন্সরেট কমাতে সাহায্য করবে।
Interlinking
৬। মেটা ডেসক্রিপশন লিখা- আপনার সাইটের জন্য মেটা ডেসক্রিপশন লিখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন সেখানে আপনার কিওয়ার্ড থাকে। এতেকরে সার্চ ইঞ্জিন আপনার পোস্ট বা সাইট কে বেশি প্রাধান্য দিবে আর আপনি অন্যান্যদের তুলনায় সহজে র‍্যাঙ্ক করতে পারবেন।
meta_description
৭। ব্যাকলিংক তৈরি করা-  এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে যেমন ব্লগ কমেনন্টিং, আর্টিকেল মার্কেটিং ইত্যাদি। বর্তমান সময়ে ব্যাকলিংক করতে হলে আপনাকে যে যে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে-
  • যেখান থেকে ব্যাকলিংক নিচ্ছেন সেটি কি অথোরিটি সাইট।
  • সেখানকার ইনডেক্স পেজ কেমন।
  • ডোমেইন এবং পেজ অথোরিটি কেমন।
  • সাইট পি আর বা পেজ পি আর(পেজর‍্যাঙ্ক) কেমন।
  • ডু-ফলো নাকি নো-ফলো।
  • সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ব্যাকলিংক টি আপনার সাইটের সাথে রিলেটেড তো। উদাহরণ- ধরুন আপনার ব্লগটি মেডিটেশন রিলেটেড আর আপনি ব্যাকলিংক নিচ্ছেন ইলেক্ট্রনিক রিলেটেড। তাই যদি হয় তাহলে আপনি যত ভালো করেই বা উপরের সবগুলা নিয়ম মেনে ব্যাকলিংক নেন তাতে কোন লাভ হবে না। হতে পারে সাময়িক ভাবে আপনি লাভবান হচ্ছেন কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী পর্যায়ে অনেক বড়ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। গুগল মামা আপনার ব্লগটিকে ম্যানুয়াল পেনাল্টি দিতে পারে ইরিলেভেন্ট ব্যাকলিংক নেবার দায়ে। তাই ব্যাকলিংক নেবার সময় সতর্ক থাকুন এখন আর সেই দিন নেই যে শুধু ব্যাকলিংক করেই আপনি র‍্যাঙ্কে চলে আসবেন। আর হ্যাঁ “কনটেন্ট ইজ কিং” এই কথাটি অবশ্যই মনে রাখবেন।
  • কিভাবে ব্যাকলিংক করবেন সেটি সম্বন্ধে বিস্তারিত আরও জানতে এই পোস্টটি পরতে পারেন (খেয়াল করুন আমি কিন্তু এখানে ফরমুলা নং ৫ ইন্টারনাল লিংক করলাম) আপনিও ঠিক এইভাবে ট্রাই করবেন।
Backlinks
৮। ভালো এস ই ও জ্ঞান- আপনার যদি ভালো এস ই ও জ্ঞান থাকে তবে আপনি এমনিতেই অনেক ভালো করতে পারবেন। এমন অনেক এস ই ও ট্রিকস আছে যেগুলা ব্যাবহার করে আপনি ব্লগে অনেক অনেক ভিসিটর আনতে পারবেন। যেমন,
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।
  • পেইড মার্কেটিং।
  • ইউটিউব মার্কেটিং।
  • অন্যান্য আরও+ অনেক।
seo
৯। কমেন্ট অপশন- আপনার ব্লগে কমেন্ট অপশন রাখবেন তবে সেটি যেন অটো আপ্প্রুভ না হয়। আর যারা আপনার পোস্টে গঠনমূলক কমেন্ট করবে বা কোন প্রশ্ন করবে তাদেরকে অবশ্যই আপনার মতামত বা উত্তর দিবেন। মনে রাখবেন আপনার পোস্টে যত কমেন্ট বাড়বে গুগলের কাছে আপনার ব্লগের অথোরিটি ততো বাড়বে।
১০। ব্লগের ডিজাইন- এটিও একটি অন্যতম মুখ্য বিষয় আপনার ব্লগের ভিসিটর বাড়ানো বা ধরে রাখার। আপনার ব্লগটি হতে হবে তথ্য নির্ভর আর ডিজাইনটি করবেন একেবারে সাদামাটা। সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড আর সাথে অন্য কোন কালার ব্যাবহার করবেন। আর ডোমেইন নির্বাচন করার সময় চেষ্টা করবেন ডট.কম নেবার। তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন।

তথ্যসুত্র: আর্ন ট্রিক্স

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের এস.ই.ও. এর জন্য সেরা ৫টি প্লাগিন্স

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস.ই.ও.) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর পরিমাণ ভিজিটর পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার ব্লগের সঠিকভাবে এই.ই.ও. এর কাজ করতে হবে। আমরা সবাই জানি যে, ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী, তাই খুব সহজেই কিছু কার্যকরী পন্থা অবলম্বন করে আমরা আমদের ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক ভিজিটর পেতে পারি। এস.ই.ও. এর কাজ সঠিকভাবে করার জন্য আপনাকে অন-পেজ ও অফ-পেজ দুটোই ভালোভাবে করতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে অন-পেজ ও অফ-পেজ এস.ই.ও. করার জন্য আপনি কিছু প্লাগিন্স ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার ব্লগকে আরো বেশী এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী করবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের এস.ই.ও. এর জন্য সেরা ৫টি প্লাগিন্স

১. ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. বাই ইয়োষ্ট (WordPress SEO by Yoast)

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের এস.ই.ও. এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. বাই ইয়োষ্ট হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি প্লাগিন। লক্ষ লক্ষ ওয়েবমাষ্টাররা তাদের ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ/সাইট অপ্টিমাইজ করার জন্য এই প্লাগিনটা ব্যবহার করে থাকেন। আপনি খুব সহজেই এই প্লাগিনটার সাহায্যে আপনার ব্লগের প্রায় সব ধরনের অন-পেজ এস.ই.ও. এর কাজ করতে পারবেন। এছাড়াও অফ-পেজ এস.ই.ও. এর জন্য এই প্লাগিনটা অনেক উপকারী।WordPress SEO by Yoast

ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. বাই ইয়োষ্ট ব্যবহার করার কিছু সুবিধা

  • প্রতিটা পোষ্ট ও পেজ এর আলাদা আলাদা মেটা ডিসক্রিপশান ও মেটা কিওয়ার্ডস
  • ফোকাসিং কিওয়ার্ডস ঠিক করে দেওয়া
  • এক্স.এম.এল. সাইটম্যাপ
  • সোশ্যাল ইন্ট্রিগেশন
  • পেজ অ্যানালাইটিকস
  • কিওয়ার্ড অ্যানালাইসিস
  • আর.এস.এস অপ্টিমাইজেশন
  • রোবট টেক্সট ফাইল তৈরী করা ও সম্পাদন করা
  • গুগল, বিং, ইয়ান্ডেক্স, এলেক্সা ও পিন্টারেস্ট ভেরিফাই করা সহ আরো অনেক সুবিধা।
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

২. এস.ই.ও. প্রেসর (SEOPressor)

এস.ই.ও. প্রেসর হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. প্লাগিন। এই প্লাগিনে অনেকগুলো ফিচার রয়েছে যা খুব সহজেই আপনার ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক করাতে সাহায্য করবে। অন-পেজ এস.ই.ও. হচ্ছে এস.ই.ও. এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা আপনি এই প্লাগিনের সাহায্যে খুব সহজেই করতে পারবেন। এই প্লাগিনেই সাহায্যে আপনি আপনার ব্লগের প্রতেকটা কন্টেন্ট এর এস.ই.ও. এর স্কোর বাড়াতে পারবনে।

এস.ই.ও. প্রেসর এর কিছু ফিচার

  • অন-পেজ এস.ই.ও. সুবিধা
  • এডভান্স অফ-পেজ এস.ই.ও. ফিচার
  • কিওয়ার্ড এনালাইসিস, কিওয়ার্ড সাজেশন ও কিওয়ার্ড ডেনসিটি নির্নয়
  • সোশ্যাল মিডিয়া ফ্রেন্ডলী
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন
  • স্মার্ট লিঙ্কিং
  • রিচ স্নাইপেট সাপোর্টেড
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

৩. অল ইন ওয়ান এস.ই.ও. প্যাক (All in One SEO Pack)

অল ইন ওয়ান এস.ই.ও. প্যাক হচ্ছে আরেকটি ফ্রি এস.ই.ও. প্লাগিন যা আপনি নিশ্চিন্তে আপনার ব্লগে ব্যবহার করতে পারেন। এই প্লাগিনটি সয়ংক্রিয় ভাবে আপনার ব্লগের প্রাথমিক এস.ই.ও. অপটিমাইজেশন এর কাজ করে দিবে। এছাড়াও এই প্লাগিনটার আরো অনেক ফিচার রয়েছে যা আপনার ব্লগকে এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী করতে সাহায্য করবে।All in One SEO Pack

অল ইন ওয়ান এস.ই.ও. প্যাক এর কিছু ফিচার

  • গুগল অ্যানালাইটিক্স সাপোর্টেড
  • এক্স.এম.এল. সাইটম্যাপ
  • প্রত্যেকটা পেজ এবং পোষ্ট এর জন্য পৃথক পৃথক টাইটেল, মেটা ডিসক্রিপশান ও মেটা কিওয়ার্ডস
  • সোশ্যাল অপটিমাইজড
  • ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট খুঁজে বের করা সহ আরো অনেক ফিচার
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

৪. এস.ই.ও. আল্টিমেট (SEO Ultimate)

এস.ই.ও. আল্টিমেট আরেকটি জনপ্রিয় ওয়ার্ডপ্রেস এস.ই.ও. প্লাগিন যা আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি খুব সহজেই এই প্লাগিনের সাহায্যে আপনার ব্লগের এস.ই.ও. এর কাজ করতে পারেন যা আপনাকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‍্যাঙ্ক পেতে সাহায্য করবে।SEO Ultimate

এস.ই.ও. আল্টিমেট এর ফিচার সমূহ

  • টাইটেল ট্যাগ, মেটা ডেসক্রিপশান ও মেটা কীওয়ার্ডস
  • নো-ইন্ডেক্স ফিচার
  • ওপেন-গ্রাফ সাপোর্টেড
  • স্লাগ ফিচার
  • কনিকাল ইউ.আর.এল. ফিচার
  • অটো লিঙ্কিং
  • এস.ই.ও. উইডজেট
  • ডাউনলোড লিঙ্ক

৫. এস.ই.ও. প্লাগিন বাই স্কুইরলি (SEO Plugin by SQUIRRLY)

এস.ই.ও. প্লাগিন বাই স্কুইরলি ও আরেকটি জনপ্রিয় এস.ই.ও. প্লাগিন যা মূলত আপনাকে এস.ই.ও. ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লিখতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এই প্লাগিনের সাহায্যে আপনি সব ধরনের অন-পেজ এস.ই.ও. এর কাজ করতে পারবেন।SEO Plugin by SQUIRRLY

এস.ই.ও. প্লাগিন বাই স্কুইরলি কিছু ফিচার

  • কীওয়ার্ড ও কন্টেন্ট এনালাইসিস
  • ফ্রি ইমেজ ফিচার
  • মেটা ডেসক্রিপশান ও মেটা কীওয়ার্ড অপশন
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন
  • ডাউনলোড লিঙ্ক
আমি ফখরুদ্দীন মানিক, বর্তমানে Drins Tech Limited এ Jr. Business Development Executive হিসেবে কর্মরত আছি। পাশাপাশি শখের বশে ব্লগিং আর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করি। আমার লেখা যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাকে এড করে নিতে পারেন ফেসবুক কিংবা টুইটার এ।

তথ্যসুত্র:আর্ন ট্রিক্স

Saturday, December 19, 2015

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটিকে কপি রাইট প্রটেক্টেড করুন কোনোরূপ কোডিং ছাড়া

আসসালামুয়ালাইকুম

 আজ আমি আপনাদের মাঝে এসিছি দেখাতে যে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটিকে কপি রাইট প্রটেক্টেড করবেন কোনোরূপ কোডিং ছাড়া শুধুমাত্র একটি প্লাগিন ব্যবহার করে।

আমি যেই প্লাগিনটির কথা বলবো সেটার অনেক গুলো ফিচার আছে এবং এটা ব্যবহার করাও খুব সহজ। এটি ব্যবহারের মাদ্ধমে আপনি আপনার সাইট থেকে ডাটা চুরি বন্ধ করতে পারবেন। এই প্লাগিনটির মাদ্ধমে আপনি আপনার সাইটটিকে কপি রাইট প্রটেক্টেড করতে পারবেন আবার কপিরাইট চালু রেখে আরো একটি সিস্টেম করতে পারবেন সেটা হলো কেউ আপনার সাইট থেকে কোন আর্টিকেল কপি করলে সেই আর্টিকেলের শেষে অটোমেটিক আপনার সাইটের যেই পেজ থেকে কপি করেছে সেই পেজের লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে। এর আরো একটি মজার ফিচার আছে সেটা হল কেউ আপনার সাইট থেকে কপি করলে কপি না হয়ে যেখানে পেস্ট করবে সেখানে Nothing, i.e., by emptying it লেখাটি পেস্ট হবে। আসুন বেশি কথা না বাড়িয়ে মুল টিউনে আসি। প্রথমে নিচের লিঙ্ক থেকে প্লাগিনটি ডাউনলোড করে নিন অথবা আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাসবোর্ড থেকে Plugins>Add New Plugins এ গিয়ে সার্চ করুন TG Copy Protection লিখে।
ডাউনলোড লিঙ্কঃ TG Copy Protection 
ডাউনলোড এবং ইন্সটল করা হয়ে গেলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাসবোর্ড থেকে Settings>TG Copy Protection এ ক্লিক করুন তারপর নিচের মত দেখতে পারবেন।
তার পর প্রথম চেকবক্সটিতে চেকমার্ক দিয়ে save changes বাটনে ক্লিক করলেই আপনার সাইটটি কপিরাইট প্রটেক্টেড হয়ে যাবে।

ডেমোঃ এখানে> 

আর দ্বিতীয় চেকবক্সটিতে চেকমার্ক দিলে কেউ আপনার সাইট থেকে কপি করলে কপি না হয়ে যেখানে পেস্ট করবে সেখানে Nothing, i.e., by emptying it লেখাটি পেস্ট হবে।

এবং ৩য় চেকবক্সটিতে চেকমার্ক দিলে কেউ আপনার সাইট থেকে কোন আর্টিকেল কপি করলে সেই আর্টিকেলের শেষে অটোমেটিক আপনার সাইটের যেই পেজ থেকে কপি করেছে সেই পেজের লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে।

আসা করি আজকের টিউনটি আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে। কোন সমস্যা হলে অবশ্যই টিউনমেন্টের মাদ্ধমে জানাবেন।

পূর্বে প্রকাশিত  এখানে

ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টলের পর করনীয় কি?

নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী অনেকেই আছেন সমস্যা পড়ে থাকেন যে কি কি করতে হবে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টলের পর, আর তাঁদের জন্য আজকে লেখাটি শেয়ার করা। সাইটটি যেহেতু নতুন অবস্থায় ডিজাইন এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি না পাশাপাশি কোন কন্টেন্টই নাই তাই সবার প্রথমে গুগল যাতে সাইটটা ইন্ডেক্স বা তালিকা ভুক্ত না করতে পারে সেইজন্য ইন্ডেক্স অফ করে রাখুন কারণ সাইটে কোন কন্টেন্ট না থাকলে ক্রাউলার এসে কিচ্ছু পাবেন না, শুধু শুধু সার্চ ইঞ্জিনের কাছে সাইটের ইম্প্রেশন নষ্ট হবে। তাই ইন্ডেক্স অফ করে রাখুন। এটি করতে Settings থেকে Reading Settings গিয়ে Discourage search engines from indexing this site অপশনটা ক্লিক করে দিতে হবে। সাইটের ডিজাইন প্লাস ৪/৫ টা কোয়ালিটি কন্টেন্ট দেওয়ার পরই ইন্ডেক্স অন অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উন্মুক্ত করে দিবেন।
# তারপর, আপনার বিষয়ের উপর ভিত্তি করে পছন্দ মত থিম বাছাই করে আপলোড করে এক্টিভ করে নিন। প্রয়োজনীয় ডিজাইন ও কাস্টমাইজেশন সেরে ফেলুন সাথে ডিফল্ট পেজ এবং পোস্ট গুলো ডিলিট করে দিন। এবার ডিফল্ট পার্মালিংক (e.g:http://www.taherchowdhury.com/?p=123 ) পরিবর্তন করুন। এই পর্যায়ে এসইও ফ্রেন্ডলি পার্মালিংক স্ট্রাকচারের কথা চিন্তা করে ডিফল্ট পার্মালিংকটাকে http://example.com/postname (রিকমেন্ডেড) অথবা http://example.com/category/postname অথবা আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী সিলেক্ট করুন। (পার্মালিংকে কিওয়ার্ড থাকাটা র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়, তাই postname যুক্ত পার্মালিংক দেওয়া উচিৎ। এটা করার জন্য Settings থেকে Permalink Settings যান এবং postname যুক্ত পার্মালিংকটি সিলেক্ট করে সেভ করুন।
permalink
# আপনার সাইটের টপিক্স এবং কিওয়ার্ড অনুযায়ী সাইটের টাইটেল, ট্যাগ লাইন এবং ডেসক্রিপশন ভেবে নিয়ে এগুলো চেঞ্জ করে ফেলুন। এবার আপনার সাইটের প্রয়োজনীয় পেজ গুলো খুলে ফেলুন যেমন About us/me, প্রাইভেসি পলিসি (আপনার সাইট অনুযায়ী ভেরি করবে), কন্টাক্ট আস (কন্টাক্ট আস এ কন্টাক্ট ফর্ম এড করার জন্য কন্টাক্ট ফর্ম ৭ প্লাগিন টা এক্টিভেট করতে হবে কিংবা অন্য কোনটা)।
এই পর্যায়ে সাইটে আপনি কি কি বিষয় রাখতে চান কিংবা থাকবে সেগুলোকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভেবে নিয়ে, আপনি ক্যাটাগরি তৈরি করবেন, ন্যাভিগেশনের ব্যপারটা খুবই ইমপর্টেন্ট। এই ক্যাটাগরি গুলোর পাশাপাশি কি কি পেজ মেনু বারে দেখাতে চান/রাখতে চান সেই পেজ গুলো (About Us, Contact, Privacy Policy etc) এড করে তৈরি করে নিতে পারেন মেনু বার। সাইডবারে কি কি রাখতে চান সেই গেজেট গুলোও একটা একটা করে এড করে নিন।
# ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস ডিফল্ট ভাবেই মূল ফিড বাদেও বেশ কিছু ফিড জেনেরেট করে যেমন, সিঙ্গেল পোষ্ট ফিড, ক্যাটেগরী ফিড, আর্কাইভ ফিড, কমেন্ট ফিড ইত্যাদি। যেগুলো কোণ ভ্যালুই এড করে না। আমরা মূল ফিডটা রেখে বাড়তি ফিড গুলো রিমুভ করে দিবো। এগুলো রিমুভ করতে dashboard থেকে appearance এর editor থেকে functions.php এ গিয়ে নিচের কোড টুকু বসিয়ে দিন।
remove_action( ‘wp_head’, ‘feed_links’, 2 );
remove_action( ‘wp_head’, ‘feed_links_extra’, 3 );
# যে কোণ ইউজার ই আপনার সাইটের http://earntricks.com/wp-content/uploads/ এই রকম লিংকে ব্রাউজ করে আপনার সাইটে আপলোড কৃত সকল ফাইল যেমন, ইমেইজ, পিডিএফ, ভিডিও, অডিও দেখতে পারবে। (নিচের ছবিটি লক্ষ্য করলেই বুঝবেন)। এতে করে তারা আপনার সব ফাইলের একসেস সহজেই পেয়ে যাবে।
ledএটা বন্ধ করতে হোস্টিং থেকে সাইটের পাবলিক এইচটিএমএলে গিয়ে .htaccess ফাইলটি খুলে তাতে নিচের কোডটি যোগ করে দিলেই হবে।
Options All -Indexes
# অনেক সময় আপনার পাবলিশ করা পোস্টকে ইডিট করার প্রয়োজন পরবে, ডিফল্ট ভাবে ওয়ার্ডপ্রেস প্রতিটা রিভিশনকে সেভ করে রাখে। যার কারণে দিন কে দিন আপনার ডাটাবেজ এর সাইজ বাড়তে থাকে। প্রতিবার পোস্টটি লোড করার জন্য ডাটা বেসে রিকোয়েস্ট পাঠাই আর সব গুলো সেভড ফাইলই একি সময়ে লোড হয়। এতে করে লোডিং টাইম জনিত সমস্যা বাড়ে।
led
এটা আপনার সাইটের জন্য সমস্যা। তাই এই ওয়ার্ডপ্রেস যাতে রিভিশন সেভ করে না রাখে সেজন্য নিচের কোডটি হোস্টিং থেকে ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে public html এর wp-config.php ফাইলে কপি করে দিন।
define( 'WP_POST_REVISIONS', false);
# অনেক সময় অবাঞ্চিত কমেন্ট আপনার সাইটে এপ্রুভ হয়ে যাবে যা স্প্যামি কিংবা মূলত ডিরেক্ট লিংক বিল্ডিং এর উদ্দেশ্যে, এগুলোকে ম্যানুয়ালি দেখে দেখে এপ্রুভাল দেওয়া বেশ ঝামেলার কাজ। WordPress এর built-in spam প্রটেকশন সিস্টেম আছে যার জন্য আপনাকে একটা প্লাগিন এড করে (একিসমেত প্লাগিন ) সেখানে রেজিস্টারকৃত এপিআই কি টা দিয়ে এক্টিভ করতে হবে।
banner-772x250# হ্যাকিং থেকে মুক্তি পেতে: অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টলের সময় ইউজার নেম হিসেবে admin রাখেন। তাই আপনি যদি ইউজার নেম admin দিয়ে থাকেন, তা ডিলিট করুন। কারণ হ্যাকাররা যখন আপনার সাইটটি হ্যাক করতে চেষ্টা করবে তখন সে প্রথম অস্ত্র হিসেবে হ্যাক করার চেষ্টা করবে admin ইউজার নেম দিয়েই, কারণ এটা বিভিন্ন বাগ খুঁজে নেওয়ার প্রাথমিক হাতিয়ার। তাই ডিফল্ট ইউজার নেম “admin” কে ডিলেট করার কোন বিকল্প নেই, পাশাপাশি নতুন আরেকটা ইউজারকে এডমিন হিসেবে এক্সেস দিতে হবে (ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটা মোর সিকিউরড করতে এটা আপনাকে হেল্প করবে ), Dashboard থেকে User তারপর add new user গিয়ে মেইল এড্রেস দিয়ে ইউজার এড করতে হবে। তারপর নতুন একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন, এবং আর Users > All Users এ গিয়ে আগের ঐ admin নামের একাউন্টটি ডিলিট করে দিন।
পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেস ভার্শন , প্লাগিন ডিরেক্ট্রির, wp-config.php ফাইল এবং wp-content ডিরেক্টরি হাইড করতে হবে। প্রথমত ওয়ার্ডপ্রেস ভার্শন হাইড করুন, এটা করার জন্য আপনার হোস্টিং একাউন্টে লগইন করুন file manager এ যান, ওখান থেকে readme.html এবং license.txt ফাইল দুটি খুঁজে নিয়ে রিমুভ করে দিন। কারণ এরাই আপনার সাইটের ওয়ার্ডপ্রেস ভার্শনের সকল তথ্য জমা রাখে।
আর প্লাগিন ডিরেক্ট্রি হাইড করতে হোস্টিং প্যানেলের .htaccess এ গিয়ে, code edit অপশনে গিয়ে নিচের দিকে কোডটি বসিয়ে দিন
# disable plugin directory browsing
Options -Indexes
wp-config.php ফাইল হাইড করতে .htaccess এই বসাতে হবে
<Files wp-config.php>
order allow,deny
deny from all
</Files>
wp-content ডিরেক্টরি হাইড করতে সি প্যানেলে লগিন করুন, এর পর index manager খুঁজে বের করে প্রবেশ করুন। এবার আপনি Web Root (public_html/www) করুন তারপর এবার আপনি wp-content এ ক্লিক করুন। ৪/৫ টা অপশন পাবেন No Indexing টা সিলেক্ট করে সেভ করে দিন। ব্যাস, হয়ে গেলো কাজ। এভাবেই আপনি আপনার সাইটকে হ্যাকার থেকে দূরে রাখতে পারেন।
এছারাও ওয়ার্ডপ্রসে কিছু মেটা ইনফোরমেশন (ইউন্ডোজ লাইভের Writer লিংক, ভার্শন এবং RSD লিংক ) ডিফল্ট ভাবে শো করে যা থেকে হ্যাকাররা সুবিধা নিতে পারে। শুধু এই কোড গুলো সাইটে রেখে দিয়ে হ্যাকারদের হ্যাক করতে সুবিধা দেওয়ার কোণ মানে হয় নাই। যাই হোক, এগুলো রিমুভ করতে dashboard থেকে appearance এর editor থেকে functions.php এ গিয়ে নিচের কোড টুকু বসিয়ে দিন।
remove_action( 'wp_head', 'wlwmanifest_link' ) ;
remove_action( 'wp_head', 'rsd_link' ) ;
remove_action( 'wp_head', 'wp_generator' ) ;
বার বার ভুল ইউজার নেম দিয়ে লগইন করতে গেলে, ওয়ার্ডপ্রেসে লগইন ইরর মেসেজ দেখায়, এমন ERROR: “Invalid username or password”। অনেক সময় হ্যাকাররা এটাকে কাজে লাগায়, একটা সিম্পল ট্রিক্স আপনাকে সম্ভাব্য হ্যাকিং থেকে রক্ষা করতে পারে। এই মেসেজ শো করা থেকে বিরত রাখতে functions.php এ গিয়ে নিচের কোড টুকু বসিয়ে দিন।
add_filter('login_errors', create_function('$a'"return null;"));
এগুলো ছাড়াও এমন একটি প্লাগিন আপনি ব্যবহার করতে পারেন যা অনেক কাজের এটা আপনার সাইটকে বিভিন্ন হ্যাকিং Attemptsথেকে রক্ষা করবে। প্লাগিংটার নাম Better WP Security এই লিংকে এটার ব্যপারে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
# Feed burner এ আপনার আর এস এস ফিড এড করুন। সাইটে আপলোডকৃত ইমেজ গুলো যাতে রেজুলেশন ঠিক রেখে সাইজ অপটিমাইজ করা যায় সেই জন্য স্মাসইট (smushit plugin)প্লাগিন টা ইউজ করুন।
WordPress-WP-Smush.it-WordPress-Plugins-2013
# এছাড়া আপনার ইউজার প্রফাইলটা প্রয়োজনীয় ডাটা দিয়ে এডিট করে নিন। আরেকটা কথা, সোসিয়াল শেয়ারের জন্য সোসিয়াল সেয়ারিং প্লাগিন এড করুন।
# সার্ভারের সমস্যা, হ্যাকিং কিংবা হোস্ট পরিবর্তন অথবা ভুলে ফাইল ডিলিট হওয়ার মত ঘটনা এড়াতে নিয়মিত সাইটের ডাটাবেস ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য এই wordpress database backup প্লাগিনটা ইউজ করুন। সাথে wp-content টাও কিন্তু ব্যাকআপ নিতে হবে :)।
# এছাড়া লোডিং টাইম কমানো প্লাস কেশ ডিলিট করার জন্য wp3 total cache প্লাগিন ব্যবহার করতে পারেন। এটা অনেক কাজের।
banner-772x250
এরপর, এসইও প্লাগিনগুলো এক্টিভ করে দিন, যেমন wordpress seo by yoastgoogle xml sitemaps. সাইটটি এবার গুগল এনালিটিক্স এড করুন-মারজ করুন। পাশাপাশি আপনার সাইটম্যাপটি বিভিন্ন ওয়েব মাস্টারে এড করুন এবং কোন পেজ কিংবা ফোল্ডারকে সার্চ ইঞ্জিনে এক্সেস দিবেন কিংবা দিতে চান সেটার জন্য সি প্যানেলে লগিন করে public html/ root ফোল্ডারে টেক্সট আকারে robots.txt ফাইল এড করুন।
আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে আমি পরিপূর্ন একটি স্যাম্পল robots.txt ফাইল আপলোড করে দিলাম, ডাওনলোড করে দেখে নিতে পারেন।এখানে ক্লিক করে Robots.txt ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
উপরের সব কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে এবার সাইটটিতে নিয়মিত কন্টেন্ট বা আর্টিকেল দিতে থাকুন। আর অবশ্যই মনে করে ইন্ডেক্স অন করে দেবেন কিন্তু! কন্টেন্ট ইনডেক্স হতে থাকলে কিছু দিন পর গুগলে সার্চ করে ক্যানোনিকাল প্রবলেম আছে কিনা চেক করতে পারেন, ওখানে যদি সেম পেজের জন্য www এবং non www দুইটা ভার্শন দেখেন তবেই বুঝতে হবে প্রবলেম আছে… দেন ফিক্স করতে হবে।
এরপরও আরও অনেক কিছু আছে, সময় করে আরেকদিন দেখাবো…
আপাতত এইগুলোই করুন ।
তথ্যসুত্র : 

যে ৭ টি বিষয় আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের জন্য কখনই করা উচিত নয় !

যদি প্রশ্ন করা হয় আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কোন কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করছেন? তাহলে আমি আপনি বেশিরভাগ সবাই কিন্তু বলে উঠবো “ওয়ার্ডপ্রেস”। সত্যি কথা বলতে কি আমার মতে ওয়ার্ডপ্রেসের ফিচারগুলো এতোটাই ফ্রেন্ডলি যে, কোন কোডিং জ্ঞান ছাড়াই নিজস্ব ওয়েবসাইট রান করানো সম্ভব। মজার ব্যাপার হচ্ছে শুধু আমি আপনি না, ওয়েব ওয়ার্ল্ডের ১৯ ভাগ ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে রান করা।
মুলত ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগিন আর্কেটিকেচারটি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষনীয় লাগে। কারন বিভিন্ন প্লাগিনের জন্য সাইটের অনেক কাজে ডেভলপারের সাহায্য নেওয়া লাগছে না। এর ফলে আমার সাইটের টুকটাক ডেভলপমেন্টের জন্য অতিরিক্ত খরচ বেচে যাচ্ছে।
তবে ওয়ার্ডপ্রেসের এতো ফ্লেক্সিব্লিটির কারনে আমরা কিন্তু অনেক সময় সাইটের ক্ষতি করে ফেলি। এটার জন্য আমি ওয়ার্ডপ্রেসকে দোষ দিবো না। বরং আমরা এর ফিচারগুলো ব্যবহারের সময় কিছু জিনিস মেনে চলি না যার ফলশ্রুতিতে আমাদের সাইট হ্যাক থেকে শুরু করে খারাপ পারফর্মেন্সও হতে পারে। সুতরাং আর্থিক লস !
তাই আজকের আর্টিকেলে আমি সেই ৭টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলো আমরা আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস সাইট চালানোর সময় মেনে চলি না। তো পাঠক চলুন জেনে নেই কি সেই ৭ টি বিষয় যা আমাদের কখনই করা উচিত নয়-
১। লগ ইন ইউজাননেইম ‘Admin’ হিসেবে ব্যবহার করাঃ এটা ওয়ার্প্রেসে বাই ডিফল্ট থাকে। আর এটা যদি এখনো আপনি চেঞ্জ না করে থাকেন, তবে আজই চেঞ্জ করে ফেলুন। কারন হ্যাকার বাবাজি আপনার সাইটে লগ ইন করে ঢোকার জন্য সবার আগে ওটা দিয়ে ট্রাই করে। এখন আপনি যদি বাই ডিফল্টটাই রেখে দেন তাহলে তার অর্ধেক উপকার আপনি করে দিলেন 😛 আর হ্যাকার বাবাজি যদি দেখে যে আপনি ইউজার নেইম হিসেবে ‘Admin’ রেখে দিয়েছেন, তাহলে উনি আপনার সাইটের সিকিউরিটির দূর্বলতার ব্যাপারে ভাল একটা ধারনা দিয়ে দিলেন। বাহ! চরম একটা উপকার করছেন।
Capture
সুতরাং অ্যাডমিন হিসেবে লগ ইন এর জন্য ডিফারেন্ট ইউজার নেইম ব্যবহার করুন। হ্যাকার বাবাজির জন্য কাজটা একটু কঠিন করে দেন। এতো সহজে সব কিছু পাইলে হবে 😛
২। বেশি প্লাগিন ব্যবহার করাঃ OMG! এই প্লাগিন দিয়ে এইটা করা করা যায়, ঐ প্লাগিন দিয়ে ঐটা করা যায়। সবই তো আমার সাইটে লাগবে। এভাবে ভেবে যদি দুনিয়ার যত্তো প্লাগিন আছে ইনস্টল করা শুরু করেন, তাহলে সাইটের জন্য ইন্নালিল্লাহ বলাটা সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।
যথেচ্ছ প্লাগিন ব্যবহারে অনেক অসুবিধা আছে। যেমন- বাগ সমস্যা, ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের নতুন ভার্সনের সাথে  প্লাগিনের মনের মিল না হওয়া, সিকিউরিটি ইস্যু, ওয়েব সাইটের খারাপ পারফর্মেন্স।
সুতরাং একেবারে না লাগলেই নয় আপনার ওয়েবসাইটের জন্য, এরকম পরিমানের প্লাগিন ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই ইনস্টলের আগে প্লাগিনের রিভিউ দেখে নিবেন।
৩। স্ট্যাগিং সার্ভার ব্যবহার না করাঃ স্ট্যাগিং সার্ভার হচ্ছে একধরনের টেস্ট সার্ভার যেটাকে মূলত আমরা লাইভ সার্ভারের রেপ্লিকা বলে থাকি। ধরুন কোন কাজের প্লাগিন ইনস্টল করতে চাচ্ছেন। এখন এটা স্ট্যাগিং সার্ভার দিয়ে দেখে নিলেন কেমন আউটপুট দেখাচ্ছে আগের থেকে। তবে রেপুটেড প্লাগিন হলে রেপ্লিকা নিয়ে মাথা না ঘামালেও হবে। আর টেস্ট সার্ভারের ব্যবহারটা শুধু প্লাগিনের ক্ষেত্রেই না, আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের থিম, লেআউট ইত্যাদির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
টেস্ট সার্ভার ব্যবহার না করে সাইটে কোন কিছু এক্সপেরিমেন্ট করতে গেলে সাইটের অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। যেটা পরবর্তিতে কভার করাটাও অনেকটা টাফ হয়ে যেতে পারে।
তাই এ ধরনের অনাকাঙ্খিত সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার ডেভলপারের কাছ থেকে লাইভ সার্ভারের ডুপ্লিকেট কপিটা বুঝে নিবেন।
৪. সাইটের সিকিউরিটি স্ট্রং না করাঃ যদি আপনার বিজনেস ওয়েবসাইটের সাহায্য নিয়ে রান করান তাহলে সাইটের সিকিউরিটির বাপারে আপনাকে অনেক সতর্ক হওয়া উচিত। জেনে অবাক হবেন হ্যাকার বাবাজিরা আল্লাহ এর ৩০ টা দিনই আপনার ওয়েবসাইট হাক করার ট্রাই করছে। সুতরাং আল্লাহ না করুক এমন যাতে না হয়, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলেন আপনার ওয়েবসাইট অলরেডি অন্য কারো হয়ে গিয়েছে!
সুতরাং এমন কোন নামকরা ম্যানেজড হোস্টিং সার্ভিস অথবা প্লাগিন ইউজ করুন যাতে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের সিকিউরিটি স্ট্রং হয়। আমি আমার  সাইটের সিকিউরিটির জন্য iThemes Security প্লাগিনটা ব্যবহার করি। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ এর রহমতে কয়েকবার হ্যাকারের অপচেষ্টা থেকে সাইটটা বেঁচে গিয়েছে।
৫. মনে করছেন সাইটের ব্যাপআপ কাজ করছেঃ আপনার মনের মধ্যে এই অগাধ বিশ্বাসটা যাতে না হয় যে, আপনি যে কোম্পানির নিকট আপনার সাইটের ব্যাকআপের দায়িত্ব দিয়েছেন, তারা সব ব্যাকআপ রেখেছে। এমনো তো পারে তারা সব ফাইলের ব্যাকআপ নাও রাখতে পারে। তখন হবে কি কোন গুরুত্বপূর্ন ফাইল নষ্ট হয়ে গেলে সেটা আর রিকভার করাটা আপনার জন্য অনেক কঠিন হয়ে যাবে। সুতরাং মাঝে মাঝে এই ব্যাপারটা ভালভাবে চেক করবেন।
৬. ওয়েবসাইটের পারফর্মেন্সের ব্যাপারে সতর্ক না থাকাঃ ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিডটা অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। এটা শুধু সাইটের গুগল র‍্যাংকিং এ প্রভাব ফেলে না, ভিজিটর ধরে রাখার ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। আর বর্তমানে বেশিরভাগ ভিজিটর মোবাইল ডিভাইস দিয়ে সাইটে ভিজিট করে। এখন যদি আপনার সাইটের লোডিং স্পিড স্লো হয়, তবে ভিজিটর বেশি বাউন্স করবে। ফলে আপনি টার্গেটেড ভিজিটর হারাবেন। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিডটা কেমন তা চেক করাটা জরুরী। এখন বলতে পারেন কিভাবে বুঝবো আমার সাইট স্লোতে লোড হচ্ছে! সাধারনত আপনার সাইটের হোম পেইজ লোড নিতে ১০ সেকেন্ড বা তার বেশি লাগে তবে আপনাকে সাইটের লোডিং স্পিডটা কমানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। চেষ্টা করুন ৫ সেকেন্ডের মধ্যে লোডিং স্পিডটা ধরে রাখতে। সাইটের স্পিড চেক করতে Web Page Test টুলটা ব্যবহার করতে পারেন।
আবার এমনো হতে পারে আপনার হোমপেইজ সুপার ফাস্ট কিন্তু পোস্টগুলোতে ইমেজ থাকার কারনে পোস্টের লোড নিতে সময় লাগছে। সেজন্য ক্যাশ প্লাগিন ব্যবহার করতে পারেন। যেমন W3 Total Cache  এবং WP Super Cache হচ্ছে অন্যতম। তবে আমি আমারসাইটের জন্য W3 Total Cache  প্লাগিনটা ব্যবহার করে থাকি। চাইলে আপনিও এটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
৭. সাইটের জন্য রেগুলার অডিট না করাঃ উপরের সব কিছু মেনে চলার পর হয়তো ভাবলেন আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট ভালোভাবে এগোচ্ছে কিন্তু এর ভিন্নও হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন রেগুলার অথবা রেগুলার না পারলে কমপক্ষে প্রতি ৬ মাসে একবার সাইটের ওভারাল বিষয় অডিট করা। এতে আপনার নীচের কয়েকটা বিষয় চেকআপ হয়ে যাবে –
  • সাইটের লোডিং স্পিড ঠিক আছে কিনা।
  • স্ট্রং সিকিউরিটি মেইন্টেইন হচ্ছে কিনা।
  • সাইটের ব্যাকআপ ঠিকমতো হছে কিনা।
  • ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট আছে কিনা চেক করা অথবা এমন কিছু ইস্যু আছে কিনা চেক করা যেটা কন্টেন্ট অপ্টিমাইজেশনে সমস্যা হচ্ছে।
পরিশেষে একটাই কথা, যে ফ্যাক্টরগুলো আমি উপরে আলোচনা করেছি সেগুলো আপনি এখনো ফেস না করে থাকেন, তবে ভবিষ্যতে যে করবেন না তার কোন গ্যারান্টি নেই। সুতরাং এখন থেকেই উপরের বিষয়গুলো মাথায় এনে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটিকে প্রটেক্ট করা শুরু করে দিন যাতে ভবিষ্যতের অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো এড়িয়ে যেতে পারেন।
আজ এখানেই শেষ করছি। আর্টিকেলটি কেমন হয়েছে কমেন্টে আপনার মতামত জানান অথবা আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন। চাইলে সরাসরি ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমার ফেসবুক প্রোফাইল- https://www.facebook.com/alauddin.almahdi15
তথ্যসুত্র: 

বেষ্ট ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ করুন! হয়ে যান সেরা

আপনাদের জন্য আজ নিয়ে এলাম বেষ্ট ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌। ওয়ার্ডপ্রেস এসইও প্লাগিনটি ব্যাবহার করি তাদের জন্য আজকের পোস্টটি অনেক উপকারি। সঠিক ভাবে এসইও সেটাপ একটা ভালো মানের সাইট এর জন্য অতীব জরুরি। গুগলে টপ টেনে থাকার জন্য বেষ্ট ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ শিখাবো আজ। প্রথমে এখান থেকে প্লাগিন্টি ডাউনলোড করুন অথাবা প্লাগিনে গিয়ে সার্চ করুন “wordpress seo by yoast” লিখে। পেয়ে যাবেন, ইন্সটল করুন এবং একটিভ করুন। একটিভ তো করলেন এখন দরকার ভালো পারফরমেঞ্চ। ভালো পারফরমেঞ্চ এর জন্য অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি সেটিংস্‌ প্রয়োজন। আর এই সেটিংস্‌ নিয়ে আমি স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।

সার্চ ইঞ্জিন  অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন  ব্যাবহার করে একটি ওয়েব সাইটকে বিনামূল্যে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারে। Search Engine Optimization সংক্ষেপে SEO বলে।
একটি তথ্য বহুল এবং মার্জিত আঙ্গিকে তৈরি যে কোন ওয়েব সাইটে হাজারো ভিজিটর বাড়াতে সার্চ  ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এটি গুরুত্ব পূর্ণ কাজ করে থাকে। সার্চ ইঞ্জিন  অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে-
একটি সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
ওয়েব সাইটের জন্য প্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
বিভিন্ন ধরনের অনলাইন থেকে আয় করার পণটাটফরম হিসেবে কাজ করে।
তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসেবে কাজ করে।
বর্তমানে বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য সবাইকে বিশেষ কোন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারলে কাজের সফলতা ধরা দেবে। প্রতিযোগিতার এই যুগে কারো আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় হয়তো নেই। তাই মানুষের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে সার্চ ইঞ্জিনের কোন তুলনা এবং প্রয়োজনিতা বলে শেষ করা যাবে না।

এসইও এর  ড্যাশবোর্ড এ যান-

যেমন আছে তেমনটি রাখুন। ওয়েবমাস্টার টুলস গুলো নিজ উদ্যোগে বসান। তেমন কঠিন কিছু না হওয়ায় স্ক্রীন শটস দিলাম না। আসাকরি পারবেন

টাইটেল অ্যান্ড মেটাস-

এখানে নিচের স্ক্রীন শটস এ দেওয়া কাজ গুলো করে নিন।

GENERAL SETTINGS

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ ৮

তারপর  HOME SETTINGS

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ ৯

তারপর POST TYPES

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ ১

তারপর TAXONOMIES

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ ২

তারপর OTHER

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ ৩

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ ৪

এবার XML SITEMAP এর কাজ –

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ 6

এখন PERMALINK SETTINGS এর কাজ করুন-


ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ 7
এই কাজ গুলই

ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌

এর মুল। এগুলো ভালো ভাবে কমপ্লিট করলে আশাকরা যায় আপনার সাইট এক্তি ভালো পজিসন এ আশবে। যদি আরও কিছু জানার থাকে তাহলে কমেন্ট এ যোগাযোগ করুন । আমি আছি আপনাদের পাশে এবং বৃহত্তম যুগটেক এর সাথে । সামনে আবার দেখা হবে নতুন কোন ওয়ার্ডপ্রেস এসইও সেটিংস্‌ নিয়ে এই পর্যন্ত বিদায়।
পূর্বে এখানে প্রকাশিতঃ- Zugtech